মিরপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর-তাণ্ডব, প্রশ্ন উঠছে দখলদারি নিয়ে
admin1
প্রকাশিত: ০৬:২৭, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে ঘিরে তাণ্ডব, দখলদারি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কথা যে প্রতিষ্ঠানের, সেখানে ক্ষমতার প্রভাব ও দখলদারির এমন চিত্র নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের বিরোধ ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রটির স্থাপনা ও আশপাশের এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জনসেবামূলক একটি প্রতিষ্ঠানের জায়গা ও সম্পদ নিয়ে প্রভাবশালী মহলের আগ্রহ নতুন নয়। বিভিন্ন সময় দখল ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিরোধ তৈরি হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঘটনাস্থলের চিত্রেও পরিস্থিতির ভয়াবহতার ছাপ দেখা গেছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একটি অংশে ভাঙাচোরা স্থাপনা, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো চোখে পড়ে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, যে জায়গা মানুষের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার জন্য নির্ধারিত, সেখানে কীভাবে দখলদারি কিংবা ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়? একটি সরকারি বা জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে এর দায় কার—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা, স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জায়গা ও স্থাপনা সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। কারণ স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি খাতে কোনো ধরনের দখলদারি, প্রভাব বিস্তার বা বিশৃঙ্খলার সুযোগ থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ।
এফএইচ/বিএ/পিআর