মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের চুক্তি বাতিল করতে হবে: ড. কাদের
Admin
প্রকাশিত: ০১:১৩, ২৪ জুলাই ২০২৫
খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা স্থিতিশীল বাংলাদেশের পক্ষে হুমকি স্বরুপ। জাতিসংঘের সদস্য বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশের মধ্যে যে ১৬টি দেশে এই অফিস রয়েছে প্রতিটি দেশই অস্থিতিশীল। তাই অবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এই চুক্তি বাতিল করতে হবে। তিনি বৃহস্পতিবার বিকালে ইসলামী যুব মজলিসের গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রাজধানীর পল্টনে কালভার্ট রোডে মজলিস মিলনায়তনে "ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক অফিস স্থাপন : হুমকি ও বাস্তবতা" শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি তাওহীদ ইসলাম তুহিন। ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ফিলিস্তিন, সিরিয়ায় অফিস থাকা স্বত্বেও গণহত্যার বিরুদ্ধে এই কমিশনের কার্যকর কোনো ভূমিকা নেই, অথচ ভারতে রাষ্ট্রীয়ভাবে কট্টর হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা করছে, মসজিদ-মাদরাসাসহ মুসলিম ঐতিহ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ধংস করছে। সেখানে জাতিগত বিভেদ সরকারিভাবে উসকে দিচ্ছে, চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে।
সেখানে এই জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক অফিস স্থাপন করতে পারেনি। আমাদের পাশেই মায়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে সেখানেও অফিস করতে পারেনি। ১৯৯৩ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রামাণিকভাবে কমিশনটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ও দেশের জন্য কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, ৯০ভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম বসবাসকারী বাংলাদেশের জনগণের মজবুত ভিত্তি হচ্ছে এলজিবিটিকিউ ও সমকামিতার বিরুদ্ধে। সেখানে তথাকথিত এই কমিশন এলজিবিটিকিউ ও সমকামিতা প্রমোট করে থাকে যা বাংলাদেশের মতো একটি স্থিতিশীল দেশকে অস্থির করে তুলবে।
ইসলামী যুব মজলিস সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সোহাইল আহমদের পরিচালনায় গোলটেবিল বেঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন খেলাফত মজলিস যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, অধ্যাপক আবদুল জলিল, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: শায়খুল ইসলাম, বিশিষ্ট গবেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক আসাদ পারভেজ।
এফএইচ/বিএ/পিআর